
২০২০ থেকে ২০৪০ পর্যন্ত। উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়া ভর্তির হার ১০০ শতাংশ করার লক্ষ্যেই ‘রোড ম্যাপ’ তৈরি করল শিক্ষা কমিশন৷বর্তমানে রাজ্যে উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়া ভর্তির হার ১৭ শতাংশ৷১০০ শতাংশ এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য স্কুল স্তরে পড়াশোনা করতে যতজন পড়ুয়া ভর্তি হচ্ছে ততজনই যাতে পড়া শেষ করে, মাঝে স্কুলছুট না হয়, তার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে৷ গ্রামীণ এলাকার স্কুলে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রীদের বিনামূল্যে পাঠ্যবই দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে এই রোড ম্যাপে৷ কমিশনের প্রস্তাবে সব স্তরের শূন্য শিক্ষক পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে৷ সব স্কুলে ল্যাবরেটরি নেই৷ তাই ভ্রাম্যমাণ রসায়নাগার তৈরির প্রস্তাব করা হয়েছে৷ পড়ুয়াদের স্কুলে ধরে রাখতে স্কুলের পঠনপাঠনকে শুধু বইয়ের মধ্যে আটকে না রেখে পড়াশোনাকে বাস্তবমুখী করার সুপারিশ করেছে কমিশন৷ শুক্রবার কমিশনের খসড়া প্রস্তাব নিয়ে নবান্নয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কমিশনের সদস্যরা আলোচনা করেন৷পরে এক সংবাদমাধ্যমের কমিশনের চেয়ারম্যান সমীরকুমার ব্রহ্মচারী বলেন, প্রস্তাবে সব স্কুলে ইন্টারনেট চালু করার কথা বলা হয়েছে৷ প্রত্যেক পড়ুয়া যাতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারে, তার কথা বলা হয়েছে৷ কলেজ স্তরে অনলাইনে পড়ুয়া ভর্তির কথা বলা হয়েছে, যা রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই চালু করেছে৷ এ ছাড়াও রাজারহাট ও উত্তরবঙ্গে এডুকেশন হাব তৈরির সুপারিশ রয়েছে৷ কমিশনের এক সদস্য বলেন, চূড়ান্ত রিপোর্টে যে যে প্রস্তাব করতে চলেছে কমিশন, তার থেকেই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এদিন আলোচনা হয়৷ প্রায় সব প্রস্তাবই মুখ্যমন্ত্রী মেনে নিয়েছেন৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে আর্থিক অসুবিধের কথা জানিয়েছেন৷ প্রস্তাবগুলি বাস্তবায়নের জন্য কমিশনকে কাজ চালিয়ে যেতেও বলা হয়েছে৷ এ মাসের মধ্যেই চূড়ান্ত রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হবে৷
No comments:
Post a Comment